ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের পুর্নবাসন হবে অমানবিক

ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের পুর্নবাসন হবে অমানবিক

হাতিয়া: প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারের সরকারী বাহিনী কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর উপকূলীয় হাতিয়া উপজেলার বিচ্ছিন্ন দুর্গম দ্বীপ ঠেঙ্গারচরে সাময়িকভাবে পুনর্বাসন করার জন্য সরকার নীতিগত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে , যে দ্বীপ কোন ভাবেই বাসযোগ্য নয়, যেখানে প্রতিমুহুর্তে রয়েছে মৃত্যুঝুঁকি। ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের পুর্নবাসন হবে অমানবিক।

নোয়াখালী জেলা সদর থেকে প্রায় ৮০ কি:মি:, উপকূলীয় উপজেলা সুবর্ণচর উপজেলা হতে প্রায় ৫০ কি:মি:, হাতিয়া উপজেলা থেকে ২৫ কি:মি: সন্দ্বীপ উপজেলার পশ্চিম উপকূল হতে ৫ কি:মি: দুরত্বে মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত এই বিচ্ছিন্ন এবং জনশূন্য দ্বীপ ঠেঙ্গারচর । যেখানে প্রায়ই জোঁয়ার ভাটায় প্লাবিত হয় এ ঠেঙ্গারচর।

জানা যায়, সন্দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে মেঘনার মোহনায় প্রায় ১১ বছর পূর্বে জেগে ওঠে এ নতুন চর, জেলেরা এই চরের নাম দেয় ঠেঙ্গারচর। সেখানে কোনো মানুষের বসতি নেই, কোন ধরনের মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। এটি বনদস্যু ও জলদস্যুরদের অভয়ারণ্য।

ইতিমধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কক্সবাজারে অবস্থানরত ও নিবন্ধিত মিয়ানমারের নাগরিকদের মানবিক কারণে দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ঠেঙ্গারচরে প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিমদেরকে ঠেঙ্গারচরে সাময়িকভাবে আশ্রয় দেওয়ার কথা ভাবছে বাংলাদেশ সরকার। মন্ত্রীর এই বক্তব্য সংবাদ মাধ্যমে আসার পর থেকে জনমনে নানান প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গবাদী পশু মালিক ও রাখালরা (লোকাল নাম বাতাইন্যা) জানান ,যখন নদী শান্ত থাকে, তখন জলদস্যুরা জেলেদের অপহরণের খোঁজে এখানে আস্তানা পাতে। জেলেদের কাছ থেকে আদায় করে মুক্তিপণ। এই দ্বীপকে ঘিরে গড়ে উঠেছে অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য নিরাপদ দ্বীপ এই ঠেঙ্গারচর।

মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের জেলে কালাম মাঝি জানান, ভরা মেীসুমে ঠেঙ্গারচরে অবস্থানরত জলদস্যুরা জেলেদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে। ২০১৬ সালের ইলিশ মেীসুমে মেঘনার মোহনা হতে আমার মাছ ধরার ট্রলার ও জেলে সহ ঠেঙ্গারচর নিয়ে যাওয়ার ৩ দিন পর ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপন নিয়ে ছেড়ে দেয়। এসময় আমাদেরকে অমানবিক নির্যাতন করে দস্যুরা।

এসব বিচ্ছিন্ন দ্বীপাঞ্চালে কাঁকড়া শিকার করতে যাওয়া শুকু মাঝি ও বিহার মাঝি জানান, ঠেঙ্গারচর আশ্রয় নেওয়া জলদস্যুরা আমাদের নৌকা ও লোকজন নিয়ে যায় ঠেঙ্গারচরে, পরে ৪০ হজার টাকা মুক্তিপন নিয়ে ছেড়ে দেয়।

এদিকে ২০১৫ সালে মানবশূন্য ঠেঙ্গারচরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার প্রথম প্রস্তাব ওঠে। সেই সময়ই এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে মানবাধিকারকর্মীদের তুমুল সমালোচনার মুখে থমকে যায় প্রস্তাব।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুবর্ণচর,হাতিয়া, কোম্পানীগঞ্জ, কবিরহাট, সন্দ্বীপ উপজেলার গবাদী পশু মালিক ও রাখালরা (লোকাল নাম বাতাইন্যা) জানান, ঠেঙ্গারচরে কাউয়া কালাম বাহিনী, ফকিরা বাহিনী,ভুট্টু বাহিনী,হানিফ বাহিনী মত জলদস্যুরা সক্রিয় রয়েছে। যারা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অপরধ কর্মকান্ড চালাচ্ছে এসব বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সমুহে

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম জানান, এখনো তাদের কাছে কোন নির্দেশনা আসেনি। এই ঠেঙ্গার চরের দৈর্ঘ্য ৮ কিলোমিটার ও প্রস্থ ৪.৫ কিলোমিটার (প্রায় ১০ হাজার একর)। হাতিয়া উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত।

এই দ্বীপটি ভরা কাটালের জোয়ারের সময় পানিতে তলিয়ে যায়। তখন দ্বীপটির সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকে। মাছ ধরার নৌকায় করে হাতিয়া থেকে ঠেঙ্গারচরে পৌঁছতে সময় লাগে আড়াই থেকে ৩ ঘন্টা। জায়গাটি ঘূর্ণিঝড় ও বন্যাপ্রবণ। নিচু হওয়ায় চরটি বর্ষা মৌসুমে জোয়ারে প্লাবিত হয়। যাতায়াত ব্যবস্থাও নাজুক। জনশূন্য এলাকাটি কর্দমাক্ত ও গহীন বন।

আব্দুল বারী বাবলু ঠেঙ্গারচর, হাতিয়া থেকে ফিরে

সেনবাগ থানার নতুন ভবনের উদ্বোধন

সেনবাগ থানার নতুন ভবনের উদ্বোধন

সেনবাগ থানার নতুন ভবনের উদ্বোধন
সেনবাগ: নোয়াখালীর সেনবাগ থানার নতুন ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে ।

রোববার সকালে নতুন ভবনের পলক উম্মচন করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক বিপিএম, পিপিএম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজ মাহবুবুর রহমান, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরীফ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা নিবাহী কমকতা শারমিন আলম, ভাইস চেয়ারম্যান শাহিন আক্তার কানন, অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এম দলিলুর রহমান, গোলাম কবির, আলী আক্কাস রতন’সহ আওয়ামীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

নোয়াখালী সোসাইটির মাহফিল

নোয়াখালী সোসাইটির মাহফিল

ব্রুকলীন: ছেলেমেয়েরা মানুষ হওয়াই বাবা-মায়ের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিদান। তাই পিতা-মাতার দায়িত্ব হচ্ছে তাদের লালন-পালন করা, দের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করা। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি অবশ্যই ধর্মীয় শিক্ষাদান ও ইসলামের আলোকে নৈতিক চরিত্র গঠন অপরিহার্য। পারিবারিক পরিবেশে শিশুরা বড় হতে থাকবে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধও তাদের হৃদয়ে জাগ্রত হবে। একজন সন্তানের প্রকৃত শিক্ষক হচ্ছে তার মাতাপিতা। গত ৯ জুলাই শনিবার বৃহ
ত্তর নোয়াখালী সোসাইটির আয়োজনে তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে এ সব কথা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সফররত কাতার রিলিজিয়ার্স এ্যাফেয়ার্স সেন্টারের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা ইউসুফ নূর।‘মাতাপিতার হক সন্তানের করণীয়’ এ বিষয়ে কুরআন-হাদিস উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাবা-মার আন্তরিক ভালোবাসা ও স্নেহের পরশে সন্তানদের সুন্দর জীবন গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার ভালোবাসা যতই আত্মিক হোক না কেন, জনক-জননী হিসেবে সন্তানের অধিকার ও তাদের প্রতি মাতা-পিতার কর্তব্য পালনে যথেষ্ট দায়দায়িত্ব পালন করতে হয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সন্তান লালন-পালনে বাবা-মায়ের অধিকার সচেতন এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে যথাযথ সচেষ্ট হওয়ার তাওফিক
কামনা করেন মাওলানা ইউসুফ নূর।তিনি বলেন, সন্তান প্রতিটি বাবা-মায়ের কাছে জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তেমনি সন্তানের কাছে তার পিতা-মাতা আশীর্বাদস্বরূপ। নেককার সন্তান দুনিয়া-আখেরাতে সুখের অন্যতম কারণ। নেককার পিতামাতার সন্তান নেককারই হয়। মা হচ্ছে সন্তানের প্রকৃত শিক্ষাঙ্গন।
মাওলানা নূর যৌতুক হিন্দুয়ানি প্রথা উল্লেখ করে বলেন, যৌতুক আমাদের সমাজের রন্ধে রন্ধে প্রবেশ করেছে। ইচ্ছা অনিচ্ছা অনেকে জড়িয়ে পড়ছে যৌতুকে, কেউ এখান থেকে মুক্ত নয়। ইসলামী শরীয়াহ মতে যৌতুক সম্পন্ন হারাম। এটা হিন্দুয়ানি প্রথা। সুতারাং কোন মুসলমান তা গ্রহন করতে পারে না।মাহফিল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় ব্রুকলীনে ১১৮ বিভার্লি রোডে নোয়াখালী ভবনে। শুরুতে বক্তব্য রাখেন, সোসাইটির আন-নূর কালচারাল সেন্টারের পেন্সিপাল মুফতি ইসমাঈল। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দারুল জান্নাহ মসজিদের খতিব মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। তাফসীর শেষে আলোচনার উপর বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর ছাড়াও বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীসহ বিশ্বশান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।
উল্লেখ্য, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ ইনকের আয়োজনে প্রতিমাসের দ্বিতীয় শনিবার তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিষয় ভিক্তিক আলোচনা রাখেন ইসলামিক স্কলারগণ। আগামী ১৩ আগষ্ট শনিবার মাহফিলে তাফসীর পেশ করবেন তরুণ ইসলামিক স্কলার হাফেজ জাকির আহমেদ।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকসহ জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকসহ জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা

বিশেষ প্রতিনিধি, কোম্পানীগঞ্জ থেকে ফিরে-কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকসহ জনবল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা। কনসালটেন্ট ও মেডিকেল অফিসারসহ চিকিৎসকের ২১টি পদের মধ্যে ১৪টিই শূন্য রয়েছে ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে। এছাড়া আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্সরে অপারেটর নেই; প্যাথলজিস্টের ৩টি পদ থাকলেও শূন্য রয়েছে দুটি। আয়া, ওয়ার্ডবয়সহ তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির ২১টি পদের মধ্যে ১৫টি পদই শূণ্য। ফলে হাসপাতালের সকল যন্ত্রপাতি থাকলেও লোকবল সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। যার মাসুল গুনতে হচ্ছে অর্থাভাবে বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে না পারা দরিদ্র রোগীরা। এরসাথে যুক্ত রয়েছে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
সরেজমিনে হাসপাতালে প্রবেশ করতে গিয়ে দেখা যায়, বাহিরে অপরিস্কার-অপরিচ্ছন্ন। ভেতরে নিচ তলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত মেঝে, রোগীদের কক্ষ ও সবগুলো টয়লেট ময়লা হয়ে রয়েছে। ডেলিভারী রুম-১, ও.টি-১ গাইনি, ড্রেস পরিবর্তন রুম (সার্জন), পোস্ট অপারেটিভ রুম খোলা পড়ে থাকলেও অপরিচ্ছন্ন। অপারেশন থিয়েটারের পাশের একটি কক্ষের ওয়ালে শেওলা পড়ে রয়েছে। নিচে ও উপরের চিকিৎসকের কক্ষগুলোর বেশিরভাগই বন্ধ। চিকিৎসকের এক-দুটি কক্ষ খোলা থাকলেও সেগুলোতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টিটিভদের দারুন ভীড়। শিশু ওয়ার্ডে এ কনকনে শীতের মধ্যে রোগিরা থাকতে হচ্ছে করিডোরের মেঝেতে। রোগীদের বেড কভার ও পোমগুলো ছেঁড়া। যা আছে তাও অপরিস্কার। কোনো কোনো বেডে বালিশ নেই। সুপেয় পানির ব্যবস্থা নেই। অপারেশন থিয়েটারের পাশে কক্ষে ইনকিউবিটার মেশিনটি (নবজাতক রাখা হয়) অকেজো। এক্সপার্ট না থাকায় এক্সরে ও আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিনের কক্ষ বন্ধ। অনেক রোগী অভিযোগ করে বলেন, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সিনিয়র সেবিকা থাকলেও আয়ারা অনেক সময় ডেলিভারি করাচ্ছে। তাদের মাধ্যমে না করালে নানা হুমকিও দেয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালীন দেখা হয় ওটি এটেনডেন্টস্ সাহাব উদ্দিনের সাথে। চিকিৎসক, যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন কক্ষ বন্ধ ও পুরো হাসপাতাল অপরিচ্ছন্ন কেন এমন প্রশ্নে তিনি জানান, পদ অনুযায়ী চিকিৎসক নেই, আয়া-ওয়ার্ডবয় ও পরিচ্ছন্ন কর্মি নেই। সরকারিভাবে চিকিৎসা সহায়ক সকল যন্ত্রপাতি পর্যাপ্ত থাকলেও প্রশিক্ষিত ডাক্তার ও টেকনিশিয়ান না থাকায় এক্সরে, আল্টাসনোগ্রাফিসহ অনেক যন্ত্রপাতি এভাবে অকার্যকর অবস্থায় পড়ে রয়েছে। তবে অন্য বিষয়গুলো নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ২ লাখ ৮০ হাজার ৭২০জন নাগরিকের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের অন্যতম মাধ্যম ৫০ শয্যা বিশিষ্ট কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এখানে বিশেষজ্ঞসহ চিকিৎসকের ২১টি পদ রয়েছে। কিন্তু মেডিকেল অফিসারের ৪টি, গাইনি কনসালটেন্ট ১টি, মেডিসিন ১টি, সার্জারী ১টি, এনেসথেসিয়া ১টি, কার্ডিওলোজি ১টি, ইএনটি ১টি, চক্ষু কনসালটেন্ট ১টি, অর্থোপেডিক্স ১টি ও চর্ম ও যৌন রোগসহ ১৪টি কনসালটেন্টের পদই শূন্য। এতে ইনডোর ও আউটডোরের রোগীরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা পাচ্ছে না। এছাড়া ৫টি সুইপার পদ থাকলেও শূন্য রয়েছে ৩টি; ওয়ার্ড বয় পদের ৩টিই শূণ্য; ২টি আয়া পদের ১টি শূন্য; হিসাবরক্ষক ও মুদ্রক্ষরিকসহ ১০টি পদের মধ্যে ৮টিসহ তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির মোট ১৫টি পদ শূন্য রয়েছে। এতে হাসপাতালের ভিতর ও বাহির সবসময় অপরিস্কার-অপরিচ্ছন্ন থাকছে, হাসপাতাল এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। সবমিলিয়ে সরকারি এ হাসপাতালটিতে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অপর দিকে দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পাদনেও হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।
সূত্র আরো জানায়, হাসপাতালটির প্যাথলজি বিভাগে পরীক্ষা-নিরিক্ষার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি উপস্থিত থাকলেও ল্যাব সহকারি নেই। আধুনিক এক্সরে মেশিন থাকলেও নেই ট্যাকনিশিয়ান, কম্পিউটারাইজ আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন রয়েছে, কিন্তু প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডাক্তার বা সহকারি নেই। ফলে বর্হিবিভাগ ও আন্ত:বিভাগের রোগীরা স্বল্পমূল্যে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করানো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রোগিরা বাধ্য হয়ে চড়ামূল্য দিয়ে বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করতে হচ্ছে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারি জানান, উপজেলায় ৮টি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে। ওইগুলোতে শুধুমাত্র নারী ও শিশুদের সাধারণ রোগের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। একটু ভালো চিকিৎসা পাওয়ার জন্য সরকারিভাবে উপজেলার প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি। হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৫০-৬০জন রোগি ভর্তি থাকে। এছাড়া ৫০০ থেকে ৬০০ জন রোগি বর্হিবিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে। কিন্তু চিকিৎসকের বেশিরভাগ পদগুলো শূন্য থাকায় ৭জন চিকিৎসক দিয়ে সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। অপরদিকে পরীক্ষা-নিরিক্ষার যন্ত্রপাতি থাকলেও লোকবল নেই। এতে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যে কয়েকজন চিকিৎসক পদে আদিষ্ট রয়েছেন, তাঁদের অনেকেও অফিস সময় স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে সময় দিচ্ছে। কেউ কেউ মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এতে নূন্যতম চিকিৎসাও পাচ্ছে না সেবা প্রত্যাশিরা।
তারা বলছেন, একদিকে চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারি সংকট রয়েছে। অপরদিকে যারা কর্মরত আছেন তাদের মধ্যেও আভ্যন্তরিক কিছু সমস্যা রয়েছে। ফলে দেখা যায় কখনও কখনও হাসপাতালে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত সেবিকা থাকা স্বত্বেও কারো কারো মদদে অস্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত আয়া স্বরসতি প্রসূতি মায়ের ডেলিভারি করাচ্ছেন। এতে মা ও শিশুর মৃত্যু ঝুঁকি থাকে। গত দুইদিন আগেও ফয়েজেতুন্নেছা নামে এক প্রসূতির ডেলিভারি করিয়েছে ওই আয়া। এ বিষয়ে সেবিকারা কিছু বলতে গেলে তাদের ওপর কর্তৃপক্ষের অনেকে চড়াও হচ্ছেন।
সূত্র জানায়, প্রতিদিনই গর্ভবতি বা প্রসূতি মায়েরা হাসপাতালে আসছেন। কিন্তু গাইনি সার্জারী বিভাগে সার্জন ও এনেসথেসিয়া বিভাগের কোন কনসালটেন্ট না থাকায় সিজার করা দায় হয়ে যায়। অত্যন্ত জুরুরি হলে ৬ মাসের ই.ও.সি (গাইনি ও অবস) সার্জন ডা. রৌশন জাহান লাকী ও ৬ মাসের ই.ও.সি (এনেসথেসিয়া) মেডিকেল অফিসার ডা: জায়েদ বাশরী সিজার করাচ্ছেন।
চিকিৎসকসহ লোকবল সংকটের কথা স্বীকার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সেলিম বলেন, এক কথায় লোকবল সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যহত হওয়াসহ হাসপাতালের পরিবেশও সুন্দর রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এক প্রশ্নে তিনি বলেন, মাসিক রিপোর্টে সংকটের বিষয়গুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হচ্ছে। কিন্তু কিছুই হচ্ছে না।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মজিবুল হক বলেন, কোম্পানীগঞ্জ হাসপাতালের লোকবল সংকটের বিষয়টি তিনি অবহিত রয়েছেন। তবে কর্মকর্তা-কর্মচারি নিয়োগ সংক্রান্ত ১৯৮৫ সনের আইন রহিত হওয়ার কারণে নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। নুতন করে নিয়োগের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিলে এ সংকট দুরিভূত হবে।

নোয়াখালী সোসাইটির মাহফিলে মাওলানা নূর

নোয়াখালী সোসাইটির মাহফিলে মাওলানা নূর

নোয়াখালী সোসাইটির মাহফিলে মাওলানা নূর

মাতাপিতাই হচ্ছে সন্তানের প্রকৃত শিক্ষক

ব্রুকলীন: ছেলেমেয়েরা মানুষ হওয়াই বাবা-মায়ের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিদান। তাই পিতা-মাতার দায়িত্ব হচ্ছে তাদের লালন-পালন করা, দের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করা। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি অবশ্যই ধর্মীয় শিক্ষাদান ও ইসলামের আলোকে নৈতিক চরিত্র গঠন অপরিহার্য। পারিবারিক পরিবেশে শিশুরা বড় হতে থাকবে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধও তাদের হৃদয়ে জাগ্রত হবে। একজন সন্তানের প্রকৃত শিক্ষক হচ্ছে তার মাতাপিতা। গত ৯ জুলাই শনিবার বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির আয়োজনে তাফসিরুল কুরআন মাহফিলে এ সব কথা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সফররত কাতার রিলিজিয়ার্স এ্যাফেয়ার্স সেন্টারের ইমাম ও খতিব হাফেজ মাওলানা ইউসুফ নূর।‘মাতাপিতার হক সন্তানের করণীয়’ এ বিষয়ে কুরআন-হাদিস উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাবা-মার আন্তরিক ভালোবাসা ও স্নেহের পরশে সন্তানদের সুন্দর জীবন গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার ভালোবাসা যতই আত্মিক হোক না কেন, জনক-জননী হিসেবে সন্তানের অধিকার ও তাদের প্রতি মাতা-পিতার কর্তব্য পালনে যথেষ্ট দায়দায়িত্ব পালন করতে হয়। আল্লাহ তাআলা আমাদের সন্তান লালন-পালনে বাবা-মায়ের অধিকার সচেতন এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে যথাযথ সচেষ্ট হওয়ার তাওফিক কামনা করেন মাওলানা ইউসুফ নূর।তিনি বলেন, সন্তান প্রতিটি বাবা-মায়ের কাছে জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তেমনি সন্তানের কাছে তার পিতা-মাতা আশীর্বাদস্বরূপ। নেককার সন্তান দুনিয়া-আখেরাতে সুখের অন্যতম কারণ। নেককার পিতামাতার সন্তান নেককারই হয়। মা হচ্ছে সন্তানের প্রকৃত শিক্ষাঙ্গন।
মাওলানা নূর যৌতুক হিন্দুয়ানি প্রথা উল্লেখ করে বলেন, যৌতুক আমাদের সমাজের রন্ধে রন্ধে প্রবেশ করেছে। ইচ্ছা অনিচ্ছা অনেকে জড়িয়ে পড়ছে যৌতুকে, কেউ এখান থেকে মুক্ত নয়। ইসলামী শরীয়াহ মতে যৌতুক সম্পন্ন হারাম। এটা হিন্দুয়ানি প্রথা। সুতারাং কোন মুসলমান তা গ্রহন করতে পারে না।মাহফিল সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টুর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় ব্রুকলীনে ১১৮ বিভার্লি রোডে নোয়াখালী ভবনে। শুরুতে বক্তব্য রাখেন, সোসাইটির আন-নূর কালচারাল সেন্টারের পেন্সিপাল মুফতি ইসমাঈল। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন দারুল জান্নাহ মসজিদের খতিব মাওলানা ইব্রাহিম খলিল। তাফসীর শেষে আলোচনার উপর বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর ছাড়াও বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীসহ বিশ্বশান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।
উল্লেখ্য, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ ইনকের আয়োজনে প্রতিমাসের দ্বিতীয় শনিবার তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিষয় ভিক্তিক আলোচনা রাখেন ইসলামিক স্কলারগণ। আগামী ১৩ আগষ্ট শনিবার মাহফিলে তাফসীর পেশ করবেন তরুণ ইসলামিক স্কলার হাফেজ জাকির আহমেদ।

 

আল্লাহ মুসলমানদের জান-মাল ক্রয় করেছেন জান্নাতের বিনিময়ে: মাওলানা রফিক

আল্লাহ মুসলমানদের জান-মাল ক্রয় করেছেন জান্নাতের বিনিময়ে: মাওলানা রফিক

আল্লাহ মুসলমানদের জানমাল ক্রয় করেছেন জান্নাতের বিনিময়ে: মাওলানা রফিক

ব্রুকলীন: বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ ইনকের আয়োজনে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল গত ১৩ আগস্ট শনিবার অনুষ্ঠিত হয় ব্রুকলীনের সোসাইটি ভবনে। মাহফিলে “কুরবানীর শিক্ষা আমাদের করণীয়” বিষয়ে তাফসির পেশ করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ম্যানহাটন আসসাফা ইসলামিক সেন্টারের খতিব মাওলানা রফিক আহমেদ। পবিত্র কুরআন-হাদীস শরীফের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কুরবানীর ঘটনার দ্বারা এ দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো যে, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) দুনিয়ার সকল কিছুর উপর অর্থাৎ নিজের সন্তানের জীবনের চেয়েও আল্লাহর হুকুমকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালার হুকুমের কাছে নিজের এবং তার সন্তানের জীবন তুচ্ছ করে দিলেন আল্লাহ প্রিয় নবী হযরত ইব্রাহিম (আ:)। তিনি নিজের সন্তানকে কুরবানী দিতে গিয়ে কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব বা ইতস্ততা বোধ করেন নি, কিংবা কোন অজুহাত ও তুলে ধরেননি।  তিনি পবিত্র কুরআনের আয়াত উল্লেখ করে বলেন “আল্লাহ মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল ক্রয় করে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে।

তিনি বলেন, কুরবানী আমাদেরকে অহংকার নয় বরং আল্লাহভীতি শিক্ষা দেয়। আল্লাহ তায়ালার হুকুম মানতে গিয়ে জীবন চলে যেতে পারে, তবুও বাতিলের সাথে আপোষ করা যাবে না। সকল ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালার আদেশ পালনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। মূলতঃ এটাই হচ্ছে কুরবানীর শিক্ষা।

মাহফিল সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি নাজমুল হাসান মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ রব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু, উপদেষ্টা শাহ নাসের স্বপন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ইব্রাহিম, সহ সাধারণ সম্পাদক মো: ইউসুফ জসিম কার্যকরী কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে বিশ্বশান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

 

নোয়াখালী সোসাইটির ইফতার মাহফিলে বিশ্বশান্তি কামনা

নোয়াখালী সোসাইটির ইফতার মাহফিলে বিশ্বশান্তি কামনা

নোয়াখালী সোসাইটির ইফতার মাহফিলে বিশ্বশান্তি কামনা
বিএনিউজ :সংগঠন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যবধি যে সকল সদস্য, কর্মকর্তা মৃত্যুবরণ করেছেন তাদের মাগফেরাত ও বিশ্বশান্তি কামনার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে ‘বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ ইনক’র ইফতার মাহফিল। গত ১১ জুন শনিবার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ব্রুকলীনে ১১৮ বিভার্লী রোডে ‘নোয়াখালী ভবনে’। বিপুল সংখ্যক লোকের উপস্থিতিতে মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ রব মিয়া। এতে পবিত্র কুরআন-হাদীস শরীফের আলোকে রমজান মাসের তাৎপর্য ও রোজাদারের করণীয় সর্ম্পকে আলোচনা ও ইফতারের পূর্বে দোয়া করেন মুফতি আব্দুল মালেক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু।

মুফতি মালেক বলেন, রমজান মাস সিয়াম সাধনা ও তাকওয়ার মাস, কল্যাণ ও বরকতের মাস, রহমত ও মাগফেরাত এবং জাহান্নামের অগ্নি থেকে মুক্তি লাভের মাস। মহান আল্লাহ এ মাসটিকে বহু ফজিলত ও মর্যাদা দিয়ে অভিষিক্ত করেছেন। পূণ্যময় এ মাস মুমিন বান্দার জীবনে এক দুর্লভ সুযোগ এনে দেয়। পবিত্র রমজান মাস আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিশেষ মৌসুম। তিনি কুরআন-হাদিসের আলোকে রমজান মাস এবং রোজাদারের মর্যাদার কথা উল্লেখ করে বলেন, যে ব্যক্তি ঈমান ও এতেসাবের সঙ্গে রোজা রাখেন তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। তিনি পবিত্র মাহে রমজানের প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে আগামী দিনের রোজাগুলো যথাযথভাবে পালনের জন্য আল্লাহর দরবারে তাওফিক কামনা করেন।
সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ রব মিয়া আমন্ত্রিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান এবং আগামীতে সোসাইটির যে কোন অনুষ্ঠানকে সফল করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। মাহফিলে ক্যান্সারে আত্রুান্ত জসিমের জন্য খাস করে দোয়া করা হয় এবং সোসাইটির পক্ষ থেকে ১৩শত ডলার অনুদান দেয়া হয়।

মাহফিলে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি কামাল আহমেদ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম হাওলাদার, সাবেক কোষাধ্যক্ষ রুহুল আমিন সিদ্দিক, সোসাইটির সাবেক সভাপতি সফি আলম লাল, সোসাইটির ষ্টাষ্ট্রি বোর্ড চেয়ারম্যান হাজী মফিজুর রহমান, সদস্য রফিকুল ইসলাম, খোকন মোশাররফ, শাহ নাসের স্বপন, উপদেষ্টা আব্দুল মালেক ভিপি, আবুল কাসেম, গোলাম সরোয়ার, শাহজাহান কবির, হাজী শফিউল্লাহ চৌধুরী, আবুল কালাম, আনোয়ারুল আজিম প্রমুখ।
মাহফিলের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি নাজমুল হাসান মানিক, সহ সাধারণ সম্পাদক-মোহাম্মদ ইফসুফ জসীম, কোষাধ্যক্ষ- মহিউদ্দিন, সহ কোষাধ্যক্ষ- জামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক- আব্দুল মালেক খান, প্রচার সম্পাদক- আইনুল ইসলাম সোহেল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক-সালেহ আহমেদ চৌধুরী (রুবেল), দপ্তর সম্পাদক- গোলাম কিবরিয়া কিরণ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ইব্রাহীম, কার্যকরী নিবার্হী সদস্য-মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, আবুল কালাম আজাদ, জাহাঙ্গীর আলম ও মোশাররফ হোসেন জাহাঙ্গীর।

নোয়াখালী সোসাইটির মাহফিলে মাওলানা রফিক

নোয়াখালী সোসাইটির মাহফিলে মাওলানা রফিক

নোয়াখালী সোসাইটির মাহফিলে মাওলানা রফিক
আল্লাহ মুসলমানদের জান-মাল ক্রয় করেছেন জান্নাতের বিনিময়ে
ব্রুকলীন: বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ ইনকের আয়োজনে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল গত ১৩ আগস্ট শনিবার অনুষ্ঠিত হয় ব্রুকলীনের সোসাইটি ভবনে। মাহফিলে “কুরবানীর শিক্ষা আমাদের করণীয়” বিষয়ে তাফসির পেশ করেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ম্যানহাটন আসসাফা ইসলামিক সেন্টারের খতিব মাওলানা রফিক আহমেদ। পবিত্র কুরআন-হাদীস শরীফের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, কুরবানীর ঘটনার দ্বারা এ দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো যে, হযরত ইব্রাহীম (আঃ) দুনিয়ার সকল কিছুর উপর অর্থাৎ নিজের সন্তানের জীবনের চেয়েও আল্লাহর হুকুমকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালার হুকুমের কাছে নিজের এবং তার সন্তানের জীবন তুচ্ছ করে দিলেন আল্লাহ প্রিয় নবী হযরত ইব্রাহিম (আ:)। তিনি নিজের সন্তানকে কুরবানী দিতে গিয়ে কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব বা ইতস্ততা বোধ করেন নি, কিংবা কোন অজুহাত ও তুলে ধরেননি। তিনি পবিত্র কুরআনের আয়াত উল্লেখ করে বলেন “আল্লাহ মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল ক্রয় করে নিয়েছেন জান্নাতের বিনিময়ে।
তিনি বলেন, কুরবানী আমাদেরকে অহংকার নয় বরং আল্লাহভীতি শিক্ষা দেয়। আল্লাহ তায়ালার হুকুম মানতে গিয়ে জীবন চলে যেতে পারে, তবুও বাতিলের সাথে আপোষ করা যাবে না। সকল ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালার আদেশ পালনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। মূলতঃ এটাই হচ্ছে কুরবানীর শিক্ষা।
মাহফিল সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি নাজমুল হাসান মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ রব মিয়া, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু, উপদেষ্টা শাহ নাসের স্বপন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ইব্রাহিম, সহ সাধারণ সম্পাদক মো: ইউসুফ জসিম কার্যকরী কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে বিশ্বশান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি সাধারণ সভা

বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি সাধারণ সভা

বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি সাধারণ সভা
বিএনিউজ:‘দি গ্রেটার নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ ইনক’র সাধারন সভা গত ৩০ জানুয়ারী শনিবার অনুষ্ঠিত হয় ব্রুকলীনে সমিতির নিজস্ব অফিসে। সভায় বিগত এক বছরের কার্যবিবরণী পেশ ছাড়াও সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষ্যে আলোচনা করা হয়। সভাপতি মোহাম্মদ রব মিয়ার সভাপতিত্বে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহসভাপতি নাজমুল হাসান মানিক, ষ্ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যান হাজী মফিজুর রহমান। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহসভাপতি নাজমুল হাসান মানিক। বাষির্ক প্রতিবেদন পেশ ও অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু। অর্থ ও অডিট রিপোর্ট পেশ করেন অর্থ সম্পাদক মহিউদ্দিন।
প্রতিবেদনের উপর সন্তোষ প্রকাশ ও পরামর্শ দিয়ে বক্তব্য রাখেন, সাবেক সভাপতি সালামত উল্লাহ, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও উপদেষ্টা আবু নাসের, উপদেষ্টা খোকন মোশাররফ, মিনহাজ উদ্দিন বাবর, তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান গোলাম সরোয়ার, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান সোহেল হেলাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজু মিয়া, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি ভিপি বাবুল।
সভায় উপস্থিত সদস্যদের লিখিত প্রশ্নের জবাব দেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
সভার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন, সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউসুফ জসীম, সহ কোষাধ্যক্ষ জামাল উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মালেক খান, প্রচার সম্পাদক আইনুল ইসলাম সোহেল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সালেহ আহমেদ চৌধুরী (রুবেল), দপ্তর সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া মিরণ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ইব্রাহীম, কার্যকরী নিবার্হী সদস্য আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, জাহাঙ্গীর আলম। সহ সভাপতি আবুল বাশার ও কার্যকরী সদস্য মোশাররফ হোসেন (জাহাঙ্গীর) বাংলাদেশে সফর এবং নাজির আহমেদ ভান্ডারী অসুস্থ থাকায় সভায় উপস্থিত থাকতে পারেননি।
সময়ের বিশেষ প্রয়োজনে বর্তমান কার্যকরী পরিষদের উদ্যোগে গঠন তন্ত্রের ধারা ১১.১০ এর আলোকে ধারা নং ৬:৩, ধারা নং ৮:২ এবং ধারা নং ৮:৭ এর পরিবর্ধন, সংযোজন ও পূর্নবিন্যাস করা হলো। যাহা নি¤œ বর্ণিত:-
ধারা ৬:৩ (ক) সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর আস্থা ও বিশ্বাসই হইবে সোসাইটির যাবতীয় কার্যক্রমের ভিত্তি, সেই উদ্দেশ্য সামনে রেখে লং আইল্যান্ড ওয়াশিংটন মেমোরিয়াল পার্কের মুসলিম সেকশন “গার্ডেন নূর”এ-ব্লকের ৪০০ (চারশত) কবরের জায়গা ক্রয় করা হয়। যার মূল্য ৫,০০,০০০ (পাচঁলক্ষ) ডলার। সোসাইটির কোন নিয়মিত সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুবরণ করিলে সোসাইটির ক্রয়কৃত কবরস্থানে দাফন করিতে বাধ্য থাকিবেন এবং কবরের জায়গার মূল্য কর্তন করে বাকী টাকা মরহুমের যোগ্য দাবীদার বা উত্তরসূরীকে প্রদান করা হইবে। উল্লেখ্য যে মরহুমের পরিবার দ্বিমত পোষণ করিলে ও যোগ্য দাবীদার বা উত্তরসূরীকে ৪০০০ (চার হাজার) ডলার প্রদান করা হইবে।
ধারা ৬:৩ (খ) মৃত ব্যক্তির লাশ সৎকারের জন্য বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামজিক সাম্য রক্ষার নিমিত্তে এবং সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য মৃত্যু সুবিধা বাবদ বর্তমানে প্রচলিত ৩৫০০ ডলার থেকে ডলার ৪০০০ (চার হাজার) ডলারে উন্নীত করা হলো, যাহা ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর হবে।
ধারা ৬:৩ (গ) সোসাইটির কোন নিয়মিত সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে মৃত্যুবরণ করিলে মরহুমের যোগ্য দাবীদার বা উত্তরসূরীকে যথাযত ভাবে ২৫০০ ডলার প্রদান করা হইবে। যাহা ২০১৬ সাল থেকে কার্যকরী হবে।
ধারা ৮:২ ৬০ বছরের উর্ধ্বে যারা সোসাইটির সদস্য হবেন তাদেরকে নির্ধারিত চাঁদার অতিরিক্ত ৫০০ (পাচঁশত ) ডলার প্রদান করিতে হইবে। যাহা ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর হবে। এই সংক্রান্ত অন্যান্য ধারাসমূহ বলবৎ থাকিবে।
ধারা ৮:৭ গঠনতন্ত্রে আইনের ধারা আরোপিত বিধিবিধান শর্ত সাপেক্ষে সোসাইটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে এবং সম্মানীত সদস্যদের সুযোগ- সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষে সোসাইটির ব্যয়ভারের চাহিদার সহিত সম্মানিত সদস্যদের চাঁদার হার সঙ্গতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন বাস্তবায়নের নিমেত্তে চাঁদার হারে বাৎসরিক ৫০ (পঞ্চাশ) ডলার ধার্য করা হলো। যাহা ২০১৬ সাল থেকে কার্যকর হবে।

ব্রুকলিনে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সার্বজনীন একুশে পালন

ব্রুকলিনে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সার্বজনীন একুশে পালন

ব্রুকলিনে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সার্বজনীন একুশে পালন

নিউইয়র্কে মিনি বাংলা টাউন হিসেবে খ্যাত ব্রুকলিনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ডে একুশের প্রথম প্রহরে দুইটি পৃথক অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অপর্ণের মধ্যদিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রবাসী বাঙ্গালীরা। একটি শহীদ মিনার স্থাপন করা হয় নোয়াখালী ভবণ অপরটি রাধুঁনী রেষ্টুরেন্টের সামনে। গত ২০ ফেব্রুয়ারী প্রবাসের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন ‘দি গ্রেটার নোয়াখালী সোসাইটি ইনক’র ব্যবস্থাপনায় সার্বজনীন মহান একুশে উদযাপন অনুষ্ঠানে সম্মিলিতভাবে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর পূর্বে ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনা, একুশে ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, এ উপলক্ষ্যে প্রতিযোগিতা অংশগ্রহনকারীদের পুরস্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত হয় সোসাইটি ভবনে। এতে সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ বর মিয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপযাপন কমিটির আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রধান সমন্বয়কারী ইউসুফ জসীম, পরিচালানা করেন সদস্য সচিব- গোলাম কিবরিয়া মিরন। বক্তব্য রাখেন, সোসাইটির ষ্ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যান হাজী মফিজুর রহমান, সাবেক সভাপতি সালামত উল্লাহ, বর্তমান সিনিয়র সহ সভাপতি নাজমুল হাসান মানিক, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল কাসেম, বাবু সুভাষ চন্দ্র মজুমদার, উপদেষ্টা খোকন মোশাররফ, এস এম আমানত হোসেন, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজু মিয়া, অর্থ সম্পাদক মহিউদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি ভিপি বাবুল, চাটখিল সোসাইটির সাধারণ সম্পাাদক মাইনুল উদ্দিন মাহবুব, অন্যতম উপদেষ্টা আবুল কাসেম, গ্রেটার বেগমগঞ্জ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক হামিদুজ্জামান বাদল, সাবেক ছাত্র নেতা জাহাঙ্গীর আলম সারওয়ার্দ্দী, যুক্তরাষ্ট্র জাগপা সভাপতি এএসএম রহমত উল্যাহ ভূইঁয়া, ত্রুীড়া ও সাংস্কৃতিক সালেহ আহমেদ রুবেলসহ আরো অনেকে।
বক্তারা বলেন, বায়ান্ন থেকে আমাদের স্বাধীকার আন্দোলন। একুশে আমাদের প্রেরণা এবং আত্মপরিচয়। একুশের চেতনা নতুন প্রজন্ম নিকট তুলে জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহবান তারা। ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনা করে তারা বলেন, বায়ান্নোর আন্দোলনের চেতনাকে শানিত করতে সঠিক ইতিহাস এবং শুদ্ধ বাংলা ভাষা চর্চার গুরুত্বারোধ করেন।
বিপুল সংখ্যক লোকের উপস্থিতিতে বিকাল থেকে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরুতে ছিল শিশু কিেেশারদের প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক পর্ব। হলভর্তি আমন্ত্রিত অতিথিদের মাতিয়ে রাখেন চারুকন্ঠ একাডেমী ও নোয়াখালীর ক্ষুদে শিল্পীরা। এতে একুশের গানও ছিল কবিতা আবৃতি ও চিএাঙ্গক প্রতিযোগিতা। অনুষ্ঠানে নতুন প্রজন্মের শিশুকিশোরদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রায় অর্ধশতাধিক শিশুকিশোরকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করেন সার্বজনীন একুশে উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
এরপর রাত ১২.০১ মিনিটে নোয়াখালী ভবণের সামনে অস্থায়ী শহীদ মিনারে ভাষা সৈনিকদেরকে শ্রদ্ধা জানান আঞ্চলিক ও সামাজিক সংগঠনের মধ্যে গ্রেটার নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ ইনক, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, চাটখিল সোসাইটি, গ্রেটার বেগমগঞ্জ সোসাইটি ইউএসএ ইনক, ব্রুকলীন বিএনপি, ফেনী জেলা সমিতি, দাগনভূঁইয়া ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, লক্ষ্মীপুর জেলা সোসাইটি, সেনবাগ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, সোনাগাজী কল্যাণ সমিতি, চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন (সিএমবিবিএ), সেনবাগ এসোসিয়েশন, গ্রেটার নোয়াখালী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, চারুকন্ঠ একাডেমী ছাড়াও অনেকে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নামে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।
অপরদিকে রাধুঁনী রেষ্টুরেন্টের সামনে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন অফ উত্তর আমেরিকা, সন্দ্বীপ এডুকেশন এন্ড কালচারাল সোসাইটি, সিএমবিবিএ, বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ, নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগ চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড ইউনিট।