ব্রুকলিনে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সার্বজনীন একুশে পালন

ব্রুকলিনে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সার্বজনীন একুশে পালন

নিউইয়র্কে মিনি বাংলা টাউন হিসেবে খ্যাত ব্রুকলিনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ডে একুশের প্রথম প্রহরে দুইটি পৃথক অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অপর্ণের মধ্যদিয়ে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রবাসী বাঙ্গালীরা। একটি শহীদ মিনার স্থাপন করা হয় নোয়াখালী ভবণ অপরটি রাধুঁনী রেষ্টুরেন্টের সামনে। গত ২০ ফেব্রুয়ারী প্রবাসের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন ‘দি গ্রেটার নোয়াখালী সোসাইটি ইনক’র ব্যবস্থাপনায় সার্বজনীন মহান একুশে উদযাপন অনুষ্ঠানে সম্মিলিতভাবে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর পূর্বে ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনা, একুশে ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, এ উপলক্ষ্যে প্রতিযোগিতা অংশগ্রহনকারীদের পুরস্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত হয় সোসাইটি ভবনে। এতে সভাপতিত্ব করেন সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ বর মিয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপযাপন কমিটির আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, প্রধান সমন্বয়কারী ইউসুফ জসীম, পরিচালানা করেন সদস্য সচিব- গোলাম কিবরিয়া মিরন। বক্তব্য রাখেন, সোসাইটির ষ্ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যান হাজী মফিজুর রহমান, সাবেক সভাপতি সালামত উল্লাহ, বর্তমান সিনিয়র সহ সভাপতি নাজমুল হাসান মানিক, সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আবুল কাসেম, বাবু সুভাষ চন্দ্র মজুমদার, উপদেষ্টা খোকন মোশাররফ, এস এম আমানত হোসেন, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজু মিয়া, অর্থ সম্পাদক মহিউদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি ভিপি বাবুল, চাটখিল সোসাইটির সাধারণ সম্পাাদক মাইনুল উদ্দিন মাহবুব, অন্যতম উপদেষ্টা আবুল কাসেম, গ্রেটার বেগমগঞ্জ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক হামিদুজ্জামান বাদল, সাবেক ছাত্র নেতা জাহাঙ্গীর আলম সারওয়ার্দ্দী, যুক্তরাষ্ট্র জাগপা সভাপতি এএসএম রহমত উল্যাহ ভূইঁয়া, ত্রুীড়া ও সাংস্কৃতিক সালেহ আহমেদ রুবেলসহ আরো অনেকে।
বক্তারা বলেন, বায়ান্ন থেকে আমাদের স্বাধীকার আন্দোলন। একুশে আমাদের প্রেরণা এবং আত্মপরিচয়। একুশের চেতনা নতুন প্রজন্ম নিকট তুলে জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহবান তারা। ভাষা শহীদদের মাগফেরাত কামনা করে তারা বলেন, বায়ান্নোর আন্দোলনের চেতনাকে শানিত করতে সঠিক ইতিহাস এবং শুদ্ধ বাংলা ভাষা চর্চার গুরুত্বারোধ করেন।
বিপুল সংখ্যক লোকের উপস্থিতিতে বিকাল থেকে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরুতে ছিল শিশু কিেেশারদের প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক পর্ব। হলভর্তি আমন্ত্রিত অতিথিদের মাতিয়ে রাখেন চারুকন্ঠ একাডেমী ও নোয়াখালীর ক্ষুদে শিল্পীরা। এতে একুশের গানও ছিল কবিতা আবৃতি ও চিএাঙ্গক প্রতিযোগিতা। অনুষ্ঠানে নতুন প্রজন্মের শিশুকিশোরদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রায় অর্ধশতাধিক শিশুকিশোরকে সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করেন সার্বজনীন একুশে উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।
এরপর রাত ১২.০১ মিনিটে নোয়াখালী ভবণের সামনে অস্থায়ী শহীদ মিনারে ভাষা সৈনিকদেরকে শ্রদ্ধা জানান আঞ্চলিক ও সামাজিক সংগঠনের মধ্যে গ্রেটার নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ ইনক, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, চাটখিল সোসাইটি, গ্রেটার বেগমগঞ্জ সোসাইটি ইউএসএ ইনক, ব্রুকলীন বিএনপি, ফেনী জেলা সমিতি, দাগনভূঁইয়া ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, লক্ষ্মীপুর জেলা সোসাইটি, সেনবাগ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, সোনাগাজী কল্যাণ সমিতি, চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন (সিএমবিবিএ), সেনবাগ এসোসিয়েশন, গ্রেটার নোয়াখালী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক পরিষদ, চারুকন্ঠ একাডেমী ছাড়াও অনেকে ব্যক্তিগতভাবে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের নামে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান।
অপরদিকে রাধুঁনী রেষ্টুরেন্টের সামনে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান সন্দ্বীপ এসোসিয়েশন অফ উত্তর আমেরিকা, সন্দ্বীপ এডুকেশন এন্ড কালচারাল সোসাইটি, সিএমবিবিএ, বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ, নিউইর্য়ক মহানগর আওয়ামী লীগ চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড ইউনিট।


 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *